আত্মা কি? আত্মার কাজ কি? আত্মাকে অস্বীকার করে কি বেঁচে থাকা যায়? শরীরের যে অংশে স্বপ্ন এবং ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তথ্য নিয়ে আসে তাকেই আত্মা বলে। আত্মার কাজই হচ্ছে যা কিছু অদৃশ্য আছে তাকে দৃশ্যমান জগতে নিয়ে আসা এবং ভারসাম্য রক্ষা করতে সাহায্য করা। পৃথিবীতে নতুন জ্ঞান যুক্ত করা এবং পুরানো জ্ঞানের জঞ্জাল মুক্ত করার কাজ করে আত্মা। পৃথিবীতে ভারসাম্য সৃষ্টিতে দিনরাত অবিরাম কাজ করে যায় আত্মা। শরীর মন এক সময় বিশ্রাম নেয়, ঘুমিয়ে পড়ে । আত্মা ঘুমায় না , বরং শরীর ঘুমিয়ে পড়লে আত্মা শরীর ছেড়ে বাইরে বের হয়ে আসে। তার কাজের পরিধি শরীর ছাড়িয়ে পৃথিবীময় বিস্তৃত।
গতকাল আমি বুদ্ধিমান ছিলাম, তাই পৃথিবীকে বদলে ফেলতে চেয়েছিলাম কিন্তু আজ আমি জ্ঞানী, তাই নিজেকে বদলে ফেলতে চায়। -----------------মাওলানা জালালউদ্দিন মোহাম্মদ রুমি পৃথিবীতে যত সব মহাপুরুষ আছে, ধনবান আছে, জ্ঞানীগুণী বিজ্ঞানি আছে, সফল যত লেখক আছে , যাবতীয় বিষয়ে শীর্ষ স্থান অধিকার করে আছে তাদের সবার মধ্যে একটি বিষয়ে প্রচণ্ড মিল তা হল তারা সবাই গুছিয়ে চিন্তা করতে এবং সমস্যা সমাধান করতে দক্ষ ছিলেন। আজ আমরা শিখবো সমস্যা সমাধান করতে কিভাবে গুছিয়ে চিন্তা করতে হয়।
সময়ের সাথে দুনিয়া এগিয়ে যাচ্ছে । যদিও প্রযুক্তির উৎকর্ষতার দিকে তাকালেই এগিয়ে যাওয়ার তৎপরতা চোখে পড়ে। তবুও অর্থনীতি, রণনীতি , রাজনীতি, কূটনীতি আরও যত সব নীতি আছে, সবতাতেই লেগেছে অগ্রগতির হাওয়া । উন্নতিরসাথে সাথে পৃথিবী মুখোমুখি হচ্ছে নতুন সব চ্যালেঞ্জের , যার বেশিরভাগ মানুষের সৃষ্ট এবং বাদবাকি প্রাকৃতির। যেমনঃ চিকিৎসা বিজ্ঞানের দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাবো নিত্যনতুন চিকিৎসা ব্যবস্থা সাথে নতুন ঔষধের নাম । আবিষ্কৃত চিকিৎসা ব্যবস্থার সাথে সাথে রোগ জীবাণুও নিজেদের এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, অচেনা সব রোগেরসৃষ্টি করছে । অর্থাৎ মানুষ এবং তার প্রতিপক্ষ দুজনেই সমানে সমান! এগিয়ে চলেছে তালে তাল মিলিয়ে । এই সবকিছুর অর্থ হচ্ছে আমাদের সম্মুখে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ আসছে যার নাম আগেকখনও শোনা যায়নি যে সমস্যার অস্তিত্ব মানুষ কখনও কল্পনা করেনি। পৃথিবীতে একজন মানুষও এই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি না হয়ে দূরে থাকতে পারবে না। কোন না কোন ভাবেই প্রতিটি মানুষকে , তার অস্তিত্বকে , তার ভীতকে নাড়া দেবেই এ...
Comments
Post a Comment